বিবাহ করে অল্প দিনে সন্তান নেয়ার ফল।
আপনি যদি ২০-২৫ বছরের ভিতরে বিয়ে করেন তাহলে আপনি ৪০ বছর অতিক্রম করার সাথে সাথেই আপনার ছেলে যেকোনো কাজ করার জন্য একদম উপযুক্ত হবে এবং তখন আপনি চাইলে আরামে বসেও খেতে পারবেন এবং চাইলে আরো ২০ বছর ও আপনার কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন,,,,,, এক্ষেত্রে দেখা যায় আপনি সচ্ছল অবস্থায় থাকাকালীন আপনার সন্তানকে কাজে লাগিয়ে দিতে পারলেন।।।।
কিন্তু আপনি যদি ২৮/৩০ বছরে বিয়ে করেন তাহলে আপনার সন্তান ইনকাম করার মতো বয়স হতে লাগবে কমপক্ষে ২০/২৫ বছর এতে দেখা গেলো আপনি ৬০ অতিক্রম করতেছেন কিন্তু তাও আপনার ছেলে মেয়ে ছোটো,, অনেকের তো হয় এমন যে বাবার বয়স বেশি হওয়ার কারনে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে কারন বয়স বাড়লে সবারই রোগ দেখা দেয় শরীরের শক্তি কমে,,, তখন আপনি চাইলেও আপনার সন্তানকে ইনকামের জন্য আশা করতে পারবেন না,,,,,,
এজন্য এদিক দিয়ে হিসাব করলেও তাড়াতাড়ি ২০-২৫ বছর বয়সে বিবাহ করা উত্তম,,,,,, আল্লাহ বলেছেন আগে বিয়ে করো তারপর প্রতিষ্ঠিত হও,,,, বিয়ে একটি পবিত্র কাজ একে যারা কঠিন বানিয়ে ফেলছে মূলত তারাই সমাজে যেনা.,ধর্ষন,, এর মতো জঘন্য পাপ তৈরী করতেছে,,,,,,,, সুতরাং আমাদের সবারই উচিত পবিত্র কাজ সময়মত সেরে ফেলা এবং বিবাহের প্রথম বছরেই সন্তান নেয়ার চেষ্টা করা।
বিবাহের পর দেরী করে সন্তান নিতে গিয়ে বিভিন্ন জন্ম নিরোধ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে কারো কারো সন্তান হয় না। আবার যদি সন্তান হয় তখন তাকে মানুষ করতে জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও সন্তান কর্মক্ষম হয় না। তাই পরামর্শ হল যে, বিরতী যদি দিতেই হয় তাহলে আগে সন্তান নিয়ে পরে বিরতী দিন সেটাই ভাল। নিজে কর্মক্ষম থাকতেই সন্তানরা কর্মক্ষম হবে ইনশা-আল্লাহ।
অনেক স্ত্রী আছেন যারা বলে থাকেন, এখনি সন্তান নয়, আগে ৫/৭ বছর এভাবেই আমোদ প্রমোদে কাটাই তারপর সন্তানের চিন্তা করবো। তাদের এই চিন্তাটা ভুল, কারণ আমরা দেখছি ছোট ছোট সন্তান রেখে স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীরা সেই সন্তান নিয়ে কি রকম মানসিক, আর্থিক সমস্যার ভিতরে সন্তান দেরকে মানুষ করতে হয়। পরবর্তীতে সন্তানরা কেউ মানুষ হন, আবার কেউ অমানুষও হন। তাই প্রচলিত ধারণা পরিবর্তন করে তাদের বিবাহের প্রথম দিকেই সন্তানগুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে বিরতী নিলে ভাল হয়। যাতে নিজে কর্মক্ষম থাকতেই সন্তানগুলো কর্মক্ষম হন।
মহান আল্লাহ সকলকে তার কল্যাণ বুঝার তাওফীক দিন।
(collected from facebook)
